December 13, 2017

দেশের মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে সিভাসু ও বিএফআরআই একসাথে কাজ করবে

“দেশের মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে সিভাসু ও বিএফআরআই একসাথে কাজ করবে”

মাৎস্যবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ ফিডব্যাক ও সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিএফআরআই’র মহাপরিচালক

 

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ ফিডব্যাক ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই)-এর সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান ১২ ডিসেম্বর ২০১৭ইং বিকাল ৪ টায় সিভাসু অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বিএফআরআই-এর মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ। এতে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ।

মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম. নুরুল আবছার খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর এম. এ. হালিম, ফুড সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন প্রফেসর ডা. রায়হান ফারুক, মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক এম.আই. গোলজার, পেডরোলা বাংলাদেশ লিমিটেড ও হালদা ফিশারিজের চেয়ারম্যান শিল্পপতি নাদের খান, বহিরাঙ্গণ কার্যক্রম পরিচালক প্রফেসর ড. এ.কে.এম. সাইফুদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফিশারিজ রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান ড. শেখ আহমাদ আল-নাহিদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের মৎস্য সেক্টরে গর্বের জায়গা যেমন রয়েছে তেমনি চ্যালেঞ্জও আছে। গুণগত মানসম্পন্ন পোনা উৎপাদন, জনবল সংকট, চাষযোগ্য জমির স্বল্পতা ইত্যাদি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারি সহায়তায় বিএফআরআই কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কারিগরি সহযোগিতা পেলে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে আমরা দেশে-বিদেশি পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সমঝোতা চুক্তি করতে যাচ্ছি। আজকে সিভাসুর সাথে প্রথম চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো। আমাদের লক্ষ্য হলো দেশের মৎস্য সম্পদের উন্নয়ন। এজন্য প্রযুক্তি নির্ভর মাছ চাষের উপর গুরুত্ব দিতে হবে।

বিএফআরআই-এর মহাপরিচালক বলেন, দেশের মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে সিভাসু ও বিএফআরআই একসাথে কাজ করবে।  

অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষকের বক্তৃতায় উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ বলেন, বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী বিনা খরচে বিদেশে ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ পাচ্ছে। আমরা দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরি করতে কাজ করে যাচ্ছি। গত দুই বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের  ল্যাবরেটরিতে প্রায় ৮০ কোটি টাকার ইক্যুইপমেন্ট সংযোজন করা হয়েছে। সিভাসুকে এশিয়ার সেরা পাঁচটি ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছি। এ বিশ্ববিদ্যালয়কে সেন্টার অব এক্সেলেন্স হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

ছাত্রছাত্রীরা ফিডব্যাক অনুষ্ঠানে দেশে-বিদেশে সম্পাদিত ইন্টার্নশীপ কার্যক্রম মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টের মাধ্যমে তুলে ধরেন।

মাৎস্যবিজ্ঞানে দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরীর লক্ষ্যে ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দেশে প্রথমবারের মতো সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে তিন মাসের ইন্টার্নশীপ কর্মসূচী চালু করেছে। একই সাথে একটি সমঝোতা চুক্তির আওতায় মালয়েশিয়ার সরকারি প্রতিষ্ঠান “ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া তেরেঙ্গানো”তে বিনা খরচে এক মাসের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে।