January 27, 2019

জাতীয় জীবনে অবদান রাখাই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম কাজ

‘জাতীয় জীবনে অবদান রাখাই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম কাজ’

সিভাসু’র কর্মশালায় ইউজিসি’র চেয়ারম্যান

 

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) হাটহাজারীস্থ ‘রিসার্চ এন্ড ফার্ম বেইজড ক্যাম্পাস’-এ ২৬ জানুয়ারি ২০১৯ ইং ‘ইস্ট্যাব্লিশ্মেন্ট অব ডিফারেন্ট ফ্যাকাল্টিজ, ফার্মস, প্লান্টস এন্ড ইনস্টিটিউটস’ শীর্ষক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান। সভাপতিত্ব করেন সিভাসু’র  উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিভাসু’র ফিশারিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম. নুরুল আবছার খান, ফুড সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. জান্নাতারা খাতুন এবং ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর মো. আ: হালিম।   

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর আবদুল মান্নান বলেন, একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান দায়িত্ব শুধু ক্লাস নেওয়া, পরীক্ষা নেওয়া এবং গ্রেড দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম কাজ হচ্ছে জাতীয় জীবনে কোন না কোনভাবে অবদান রাখা। সেই অবদানটা ট্যানজিবল (দৃশ্যমান) বা ইনট্যানজিবল (যা দৃশ্যমান নয়) দুটোই হতে পারে।   

তিনি আরও বলেন, “আমরা বদলে যাচ্ছি। আমাদের অজান্তেই আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অনেক পরিবর্তন হচ্ছে। আর সেই পরিবর্তনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর।”

ইউজিসি’র চেয়ারম্যান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যসূচি আপডেট (হালনাগাদ) করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “আজকে যেটা প্রাসঙ্গিক, কালকে সেটা প্রাসঙ্গিক নাও হতে পারে। কারণ প্রতিনিয়তই নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কার হচ্ছে।” 

তিনি বলেন, “সবকিছু পরিবর্তনশীল। সেই পরিবর্তনের সাথে আমাদের চিন্তা-চেতনার পরিবর্তন করতে হবে। কাজ করার পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে। দূরদর্শী হতে হবে। তাহলে প্রতিষ্ঠান এগিয়ে যাবে। দেশ এগিয়ে যাবে।”

হাটহাজারীতে সিভাসু’র ‘রিসার্চ এন্ড ফার্ম বেইজড ক্যাম্পাস’ স্থাপনকে প্রশংসনীয় উদ্যোগ উল্লেখ করে প্রফেসর আবদুল মান্নান বলেন, ‘এটা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য উদাহরণ হতে পারে।’

সিভাসু’র উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ বলেন, হাটহাজারীস্থ ‘রিসার্চ এন্ড ফার্ম বেইজড ক্যাম্পাস’ হবে গবেষণা কার্যক্রমের জন্য একটি নান্দনিক ক্যাম্পাস। গবেষণা কার্যক্রম সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য এখানে সবধরণের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।     

কর্মশালায়  ‘রিসার্চ এন্ড ফার্ম বেইজড ক্যাম্পাস’- এ করা যায় এমন সম্ভাব্য বিভিন্ন ‘ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা’ তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ডিন। 

কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মীর্জা ফারুক ইমাম, পরিচালক (বহিরাঙ্গন) প্রফেসর ড. এ. কে. এম. সাইফুদ্দীন, পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) প্রফেসর ড. কবিরুল ইসলাম খান, ছাত্রকল্যাণ পরিচালক প্রফেসর ড. শারমীন চৌধুরী, পরিচালক (উচ্চশিক্ষা) প্রফেসর ড. বিবেক চন্দ্র সূত্রধর, প্রক্টর প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, প্রফেসর ডা. মো. রায়হান ফারুক  প্রমুখ।