March 4, 2019

সিভাসু’র মাস্টার্স ইন পাবলিক হেল্থ (এমপিএইচ) শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

সিভাসু’র মাস্টার্স ইন পাবলিক হেলথ (এমপিএইচ) শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

 

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ওয়ান হেল্থ ইনস্টিটিউটের অধীনে মাস্টার্স ইন পাবলিক হেল্থ (এমপিএইচ) কোর্সে ভর্তিকৃত দ্বিতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান ০৪ মার্চ ২০১৯ইং সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ, চট্টগ্রাম-এর পরিচালক প্রফেসর ডা. এম.এ. হাসান চৌধুরী, সিভাসু’র মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম. নুরুল আবছার খান, ফুড সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. জান্নাতারা খাতুন, ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আবদুল আহাদ এবং পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন।

ওয়ান হেল্থ ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ড. শারমীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমন্বয়ক (উচ্চশিক্ষা) ড. পংকজ চক্রবর্তী। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের সংখ্যার চেয়ে শিক্ষার গুণগত মানকে বেশী গুরুত্ব দিয়ে থাকি। তাই অনেক ভর্তিচ্ছুদের মধ্যে থেকে আমরা মাত্র ২৫ জনকে এমপিএইচ কোর্সে ভর্তির সুযোগ দিয়েছি। আমরা এমপিএইচ কোর্সে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের গুণগত মানসম্পন্ন ডিগ্রি প্রদান করতে চাই।’

উপাচার্য হাতে-কলমে কাজ শেখার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে সিভাসু’তে একটি শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের লক্ষ্য এটিকে একটি বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা দেশকে যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, সিভাসু’র অগ্রযাত্রা সেটাকে আরও বেগমান করবে বলে উপাচার্য আশা প্রকাশ করেন।

এমপিএইচ কোর্সে এবার (দ্বিতীয় ব্যাচে) মোট ২৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৪ জন এমবিবিএস ও ১ জন ডিভিএম (ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন) ডিগ্রিধারী। এমপিএইচ কোর্সের মেয়াদ এক বছর ছয় মাস (৩ সেমিস্টার)।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে কেক কেটে প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হয়।