October 10, 2018

জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে সিভাসুর অবদান অনেক

 জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে সিভাসুর অবদান অনেক

 

সাক্ষাৎকার: ০৭ আগস্ট ২০১৮ খ্রি.

প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ  ২০০৩ সালে  চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) যোগদান করেন। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে চার বছরের জন্য এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির দায়িত্ব নেন। আলোকিত বাংলাদেশের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি তুলে ধরেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন: সাইফুদ্দিন তুহিন ও শানে আলম সজল

আলোকিত বাংলাদেশ: ভিসি হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে কোন বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন?

প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ: আমি ভিসি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছি একাডেমিক, গবেষণা ও উন্নয়ন বিষয়ে। এ তিনটি বিষয়কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। ভিসি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার তিন বছর সাত মাস পার হয়েছে। এ সময়ে আমরা অনেক এগিয়ে গেছি।

আলোকিত বাংলাদেশ: দায়িত্ব নেওয়ার পর কোন ইস্যুটিতে আপনি কঠিনভাবে মুখোমুখি হয়েছিলেন?

প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ: ভিসি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর সবচেয়ে বেশি কঠিন চ্যালেঞ্জ ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়টিকে সামগ্রিকভাবে একটি বিশ্ববিদ্যালয় রূপে তৈরি করা। আমি বিশ্বাস করি, এ ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি বিশ্ববিদ্যালয় আকারে রূপ পেয়েছে। এটি আগে একটি কলেজ ছিল। আমি ভিসি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করেছি। ফলে আমাদের ছাত্রছাত্রী মালয়েশিয়া, আমেরিকা, ভারতের মাদ্রাজসহ বিভিন্ন উন্নত বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে ট্রেনিং করে একাডেমিক উন্নয়নের জন্য। সিভাসু আগে ছোট ৭ একর জমির ওপর ছিল। আমি ভিসি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার এক বছরের মধ্যে ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য ১৮০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প দেন। হাটহাজারীতে ১৮ একর জায়গায় রিসার্চ ফার্মবেইজড ক্যাম্প আছে পরিবেশের। নগরীর বাইরে আউট ক্যাম্পাস আছে। সেখানে দুটি ফ্যাকাল্টি হবে। সেখানে ছাত্রছাত্রীরা গবেষণা করতে পারবে। হাতে-কলমে কাজ শিখতে পারবে। এছাড়া আমরা কক্সবাজারে একটি গবেষণা কেন্দ্র করেছি। সেখানে ফিশারিজ ফ্যাকাল্টির ছাত্রছাত্রীরা গবেষণা করে। কক্সবাজার গবেষণা কেন্দ্র এগিয়ে চলছে। এটি ভেটেরিনারি  এন্ড এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে গরু-ছাগলের ওপর দক্ষতা বেশি। টিচিং অ্যান্ড ট্রেনিং পেট হাসপাতাল ও রিসার্চ সেন্টারের ওপর কোনো দক্ষতা নেই। আমাদের দেশে পেটের ওপর দক্ষতা কম। সে চিন্তাধারা করে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ঢাকার পূর্বাচলে ২২ কাঠা জায়গা দিয়েছেন। সেখানে আমরা আগামী অক্টোবরে কাজ গুরু করব পেট হসপিটালের। আসলে এটি হলো একটি টিচিং হসপিটাল।

আলোকিত বাংলাদেশ: এ বিশ্ববিদ্যালয় ছোট পরিসরে ছিল?

প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ: আপনি যখন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করবেন মনে হবে- এটি একটি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়। সেই পরিবেশ আমরা তৈরি করেছি। আমাদের ল্যাব, গবেষণা এবং ছাত্রছাত্রীদের হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়ার জন্য বিদেশি ও নতুন আঙ্গিকে আমরা ল্যাবগুলোকে পরিবর্তন করেছি। বাংলাদেশে যেসব ইকুইপমেন্ট আসেনি এমন বিভিন্ন ইকুইপমেন্ট আমরা এ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম ৪০ কোটি টাকার প্রকল্প পায়। এরপর ২০১৫ সালের মার্চে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৮০ কোটি টাকার প্রকল্প প্রদান করেন।

আলোকিত বাংলাদেশ: উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা গবেষণা ও গ্রন্থাগারে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক বাজেটে এ দুটি খাতই অবহেলিত। এ বিষয়ে যদি কিছু বলেন?

প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ: এ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজস্ব বাজেটে প্রতি বছর গবেষণা বরাদ্দ থাকে ৫০ লক্ষ টাকা। এছাড়া বিদেশ থেকে রিসার্চ বাজেট পাওয়া যায়। এখনও আমাদের হাতে প্রায় ১২ কোটি টাকার গবেষণা প্রকল্প চলমান। গবেষণার জন্য সব দেশের বাইরের টাকা। গবেষণা ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি নেই। তারপরও আমরা নতুন একটি জিনিসে হাত দিয়েছি। ছাগলের জেনল সিকুয়েন্সি দূর করা। পাটের যেমন জেনল সিকুয়েন্সি আছে, তেমনি ব্ল্যাক বেঙ্গল (কালো ছাগল) গ্রুপ যেটি আমাদের নিজস্ব জাত, সেটির জেনল সিকুয়েন্সি বের করে আমরা এগিয়ে গেছি। বেশিদিন লাগবে না। আর ছয় মাসের মধ্যে জেনল সিকুয়েন্সির ওপর কাজ করতে পারব। ব্ল্যাক বেঙ্গল শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা পৃথিবীতে মাংস এবং চামড়ার জন্য বেস্ট। আমরা জানি, এ জাতের ছাগল বছরে দুইবার বাচ্চা দেয়। প্রতিবার তিন-চারটি করে বাচ্চা দেয় এবং এটির উৎপাদনও ভালো। আমরা চেষ্টা করছি। জেনল সিকুয়েন্সি করে এটিতে যদি দুধের পরিমাণ বাড়ানো যায়, বাচ্চার পরিমাণ আরও বাড়ানো যায়, এ জাতের ছাগল যদি পাহাড়ে পালন করা যায়, এসব যদি আমরা বের করতে পারি, তবে এটিই হবে আমাদের জন্য সবচেয়ে বেস্ট। এটির ওপর গবেষণা চলছে। প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে গবেষণা পর্ব। ছয় মাসের মধ্যে একটি আউটপুট দিতে পারব। এরপর ব্যাপকভাবে এটি বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেব।  

আলোকিত বাংলাদেশ: রেড চিটাগাংয়ের (লাল জাতের গরু) ডেভেলপ নিয়ে কথা বলেন?

প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ : রেড চিটাগাং নিয়ে আমাদের জেনেটিক বিডিং ডিপার্টমেন্ট কাজ করছে। সাধারণত কিছু পিউর বিট যার ওপর আমাদের হাটহাজারীতে ফার্মবেইজড ক্যাম্পাস হচ্ছে, সেখানে রেড চিটাগাং নিয়ে পিউর বিট থাকবে। সরকারের উদ্দেশ্য ছিল রেড চিটাগাং জাতকে সংরক্ষণ করে এটি থেকে বীজ নিয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া। কিন্তু এটি সরকার এখনও করতে পারেনি। আমরা এটিকে নতুন একটি প্রকল্পের মতো চেষ্টা করছি হাটহাজারীতে। এটি নিয়ে কাজ করব। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। 

আলোকিত বাংলাদেশ: বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক সংকট কতটুকু, তা নিয়ে কিছু বলুন?

প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ: সিভাসুতে ছাত্রছাত্রীদের কোনো আবাসিক সংকট নেই। কারণ ছাত্ররা বেশিরভাগ ক্যাম্পাসের বাইরে শহরে থাকে। টিউশনি করে, মা-বাবার সঙ্গে বাসায় থাকে। এখানে সিট সংকট নেই। বরং সিট খালি থাকে হলগুলোয়। 

আলোকিত বাংলাদেশ: বর্তমানে জাতীয় উন্নয়নে এ বিশ্ববিদ্যালয় কতটুকু অবদান রাখছে বলে আপনি মনে করেন?

প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ: জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনেক বেশি। আমরা দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরি করি। এটি কিন্তু একটি বিনিয়োগ। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের প্রাণিসম্পদের ওপর, মৎস্যবিজ্ঞানের ওপর কী করে উৎপাদন বাড়ানো যায়, সেক্ষেত্রে এ গ্র্যাজুয়েটদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। এটিই হলো আমাদের জাতীয় উন্নয়নে ভূমিকা। 

আলোকিত বাংলাদেশ: নতুন বিভাগ খোলার যৌক্তিকতা কতটুকু?

প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ: ইউজিসি আমাদের অনুমোদন পাস করেছে, সেখানে আমরা একটি ওয়ান হেলথ ইনস্টিটিউট খুলেছি। সেখানে এমপিএইচ ডিগ্রি দিচ্ছি। এ বছরই সেটি চালু করা হলো। মাস্টার ডিগ্রি পাবলিক হেলথ। এ ইনস্টিটিউটে ১০ জন এমবিবিএস ডাক্তার ভর্তি হয়েছে। তাদের জন্য জেনেটিক ডিজিস, কমিউনিটি মেডিসিনের ওপর ডাক্তাররা ক্লাস নেন এবং এনভায়রনমেন্ট সায়েন্সেও ক্লাস নেন। এ ইনস্টিটিউটে ডাক্তাররা কমিউনিটি মেডিসিনের ওপর এমপিএইচ ডিগ্রি নেন। আগামী বছর আরও দুটি ফ্যাকাল্টি চালু করব হাটহাজারী ক্যাম্পাসে। ফ্যাকাল্টিগুলো হলো বায়োটেকনোলজি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং এনভায়রনমেন্ট সায়েন্স। নগরীর ক্যাম্পাসে জায়গা সংকটের কারণে নগরীর অদূরে হাটহাজারীর ক্যাম্পাসে এ ফ্যাকাল্টিগুলো চালু করা হচ্ছে। হাটহাজারীতে ২০ একর জায়গা পেয়েছি। সেখানে দুটি ক্যাম্পাস করছি। যেখানে ফার্মও থাকবে, ফ্যাকাল্টিও থাকবে। আমরা খুবই কম ছাত্র ভর্তি করব। আমাদের লক্ষ্য দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরি করা। সিভাসু স্পেশালাইজ ইউনিভার্সিটি। বেশি ছাত্রছাত্রী ভর্তি হলে কোয়ালিটি ঠিক থাকে না। কাজেই ইউনিভার্সিটির কোয়ালিটি রক্ষা করতে কমসংখ্যক ছাত্রছাত্রী ভর্তি করিয়ে থাকি।  

আলোকিত বাংলাদেশ: মূল ক্যাম্পাসের বাইরে ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা কেমন?

প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ: সিভাসু খুলশীর মূল ক্যাম্পাস থেকে হাটহাজারী ক্যাম্পাসে যাওয়ার জন্য দুটি বাস আছে। মূল ক্যাম্পাস থেকে হাটহাজারী যেতে মাত্র ৪০ মিনিট সময় লাগে। আর সেখানে ছাত্রছাত্রীদের আবাসিকের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। আলাদা দুটি আবাসিক হল নিমার্ণ করা হচ্ছে। আমরা ক্যাম্পাস, ল্যাব, গবেষণাগার, আবাসিক হল, পরিপূর্ণ করে তারপর ছাত্রছাত্রী ভর্তি করব। ক্লাস, ল্যাব শিক্ষক নিয়োগ ও নির্দিষ্ট কারিকুলামে সিলেবাস তৈরি করেই তারপর ছাত্র ভর্তি করব। এক বছরের মধ্যে হাটহাজারী ক্যাম্পাসের কাজ সম্পন্ন করব। 

আলোকিত বাংলাদেশ: ছাত্রদের রাজনৈতিক পরিবশে কেমন?

প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ : সিভাসুতে ছাত্ররাজনীতি নেই বললেই চলে। বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট থেকে ছাত্র রাজনীতি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। ছাত্ররা চেষ্টা করে ছাত্রদের সংগঠন করার জন্য। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট তা স্থগিত করে দেয়। এখানে শুধু শিক্ষক ও পেশাজীবী সমিতি আছে। 

আলোকিত বাংলাদেশ: নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের কোনো ব্যবস্থা আছে কি না?

প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ : আমরা আইকিউএসির মাধ্যমে নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের টিচিং মেথড ট্রেনিং দিয়ে থাকি। সম্প্রতি দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা করা হয়েছে। এটি চলমান প্রক্রিয়া। আর শিক্ষকরা তো পিএইচডি ডিগ্রি করতে দেশের বাইরে যান। ১২৩ শিক্ষকের মধ্যে ৩৫ জন দেশের বাইরে আছেন। 

আলোকিত বাংলাদেশ: ছাত্রছাত্রীদের প্রতি আপনার পরারর্শ কী?

প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ: ছাত্রছাত্রীরা ৯৯ শতাংশই খুব ভালোমানের। ১ শতাংশ খারাপ নয়, তারাও ভালো। কিন্তু আমাদের বর্তমানে যে রাজনৈতিক পরিবেশ, তাতে তারাও অনেক সময় এখানে স্বার্থান্বেষীদের যড়যন্ত্রে পড়ে যান। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরের পরিবেশ অত্যন্ত সুষ্ঠু। সিভাসু থেকে স্কলারশিপ নিয়ে পাঁচ ছাত্রী আমেরিকা যাচ্ছে। মেয়েদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়ছে। লেখাপড়াকে তারা বেশি গুরুত্ব দেয়। ছেলেদের ক্ষেত্রে সমস্যা হলো, তাদের পারিবারিক সমস্যা থাকে। এজন্য আমরা নিয়মিত কাউন্সেলিং করি।

 আলোকিত বাংলাদেশ: উপজেলা পর্যায়ে পশুর যে চিকিৎসা করা হয়, তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য সিভাসুর কোনো সংযোগ আছে কি না?

প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ : পটিয়া উপজেলায় শিকলবাহায় আমাদের একটি স্যাটেলাইট ক্লিনিক আছে। আমাদের ইন্টার্ণ ডাক্তার যারা এবং যারা ফাইনালে পড়ে, তারা সেখানে গিয়ে ক্যাম্প করে। এছাড়া প্রতি বছর চার থেকে পাঁচটি ক্যাম্প করে গ্রামে গ্রামে গিয়ে। যারা ফিশারিজ ফ্যাকাল্টিতে আছে, তারা বিভিন্ন খামারে গিয়ে বিভিন্ন সহযোগিতা করে।

 আলোকিত বাংলাদেশ: দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ।

প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ: আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকাকেও ধন্যবাদ।

 

আলোকিত বাংলাদেশের নিউজটি PDF দেখতে ক্লিক করুন