Students

  Teachers

  Staffs

 

গবেষণায় স্বপ্ন দেখাচ্ছে চট্টগ্রামের যে বিশ্ববিদ্যালয়





মূল প্রতিবেদন সূত্র : প্রথম আলো
প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২১

ক্যাম্পাসে ঢুকতেই চোখ জুড়িয়ে যায়। মূল ফটক পার হলে সোজা রাস্তা। রাস্তার দুই পাশে সারি সারি গাছ। ছিমছাম গোছানো পরিবেশ। শুরুতে ইউসুফ চৌধুরী ভবন। এর নিচতলায় সুবিশাল জাদুঘর। এখানেই সারাক্ষণ ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকে এক আস্ত জিরাফ। তবে রক্ত-মাংসের নয়, স্রেফ কঙ্কাল।

গত দেড় বছর সবুজ চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের আনাগোনা ছিল না। জাদুঘরটিও ছিল অনেকটাই ফাঁকা, নিষ্প্রাণ। করোনা মহামারির কারণে কোনো দর্শনার্থীর পা পড়েনি। সশরীর ক্লাস শুরুর পর চারপাশ এখন মুখর শিক্ষার্থীর কোলাহলে। জাদুঘরেও নিয়মিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা যাচ্ছেন। হাতে-কলমে পাঠ নিচ্ছেন।

অবশ্য ক্যাম্পাসে গেলে এখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক শোনা যাবে। ক্যাম্পাসের খেলার মাঠ, শহীদ মিনার চত্বর, শ্রেণিকক্ষ কিংবা আবাসিক হল-সবখানেই গল্প, আড্ডা, গান, খেলা নিয়ে আলোচনা। ৭ অক্টোবর প্রথম ধাপে স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে আসেন। ১০ দিন পর অর্থাৎ, ১৭ অক্টোবর সবার জন্য খুলে দেওয়া হয় ক্যাম্পাস। এরপর জমে ওঠে চারপাশ। ক্যাম্পাসের শহীদ মিনার চত্বরে সম্প্রতি ফিশারিজ অনুষদের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা হয়। এই শিক্ষার্থীরা কথা বলছিলেন ক্রিকেট নিয়ে। তাঁদের একজন দীপা দেবী। পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রিকেটে তাঁর যত আগ্রহ। দীপা বললেন, ‘ক্যাম্পাসে আসার পর বিশ্বকাপ ক্রিকেট শুরু হলো। সবাই মিলে খেলা দেখছি। আড্ডা দিচ্ছি।’ বাংলাদেশ দল নিয়ে তাঁর কণ্ঠে খানিকটা আক্ষেপ ফুটে উঠলেও, ক্যাম্পাস নিয়ে কোনো অতৃপ্তি নেই। দীপা জানালেন, হলে কম টাকায় বেশ ভালো খাবার দেওয়া হয়। শিক্ষকেরা ক্লাসে বেশ আন্তরিক। করোনাকালে নিয়মিত চলেছে অনলাইন ক্লাস।

শুরুর গল্প

১৯৯৫-৯৬ সালে ৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করে চট্টগ্রাম সরকারি ভেটেরিনারি কলেজ। শুরুতে প্রতিষ্ঠানটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরে বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে আন্দোলনে নামেন চট্টগ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ। দীর্ঘদিন আন্দোলন, আলোচনার পর ২০০৬ সালের ৭ আগস্ট চট্টগ্রাম সরকারি ভেটেরিনারি কলেজ থেকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি মেলে। এরপর নাম হয়ে যায় চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে তিন অনুষদে ১৮টি বিভাগ রয়েছে এখানে। ইনস্টিটিউট ও গবেষণাকেন্দ্র আছে চারটি। এ ছাড়া ১ হাজার ৪২৬ জন শিক্ষার্থী জন্য শিক্ষক আছেন ১৩৯ জন।

সাড়ে সাত একরের এ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জন্য হল রয়েছে দুটি। রয়েছে শতভাগ আবাসিক সুবিধা। ভেটেরিনারি মেডিসিন, ফুড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ও মাৎস্যবিজ্ঞান—তিনটি অনুষদে চলে শিক্ষা কার্যক্রম। এখানে অ্যানাটমি অ্যান্ড হিস্টোলজি, অ্যানিমেল সায়েন্স অ্যান্ড নিউট্রিশন, মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ, ফুড প্রসেসিং অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংসহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পাঠদান হয় এ বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেমিস্টার পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চলে। শিক্ষকেরা জানালেন, মহামারির ক্ষতি ছাড়া সেশনজটের তেমন কোনো সমস্যা নেই এখানে। মহামারির ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নানা পদক্ষেপও ইতিমধ্যে কর্তৃপক্ষ নিয়েছে।

কঙ্কাল ও মাছের সমৃদ্ধ জাদুঘর

অ্যানাটমি জাদুঘর রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউসুফ চৌধুরী ভবনে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অধীনে উচ্চশিক্ষা মানোন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নে এ জাদুঘর যাত্রা শুরু করে। এখানেই কাচঘেরা ঘরে দাঁড়িয়ে আছে আস্ত একটা জিরাফের কঙ্কাল।

ইউসুফ চৌধুরী ভবনের নিচতলায় জিরাফের কঙ্কালটি স্থাপন করা হয়েছে। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে এখানেই চালু হয় কঙ্কালের জাদুঘর। বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা থেকে জিরাফের কঙ্কালটি আনা হয়। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ বলছে, বিদেশে জিরাফের একেকটি কঙ্কালের দাম পড়ে ৪০ লাখ টাকার মতো। কিন্তু জাতীয় চিড়িয়াখানা থেকে এটি আনা হয় বিনা মূল্যে। জিরাফ ছাড়াও জাদুঘরে রয়েছে ছোট্ট কোয়েল থেকে বিশালদেহী হাতি, পোষা ও বন্য প্রাণীর বিভিন্ন কঙ্কাল।

এ তো গেল কঙ্কালের জাদুঘরের কথা। এটি ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে মৎস্য জাদুঘর। ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের প্রতিষ্ঠিত মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের অধীনে মৎস্য জাদুঘরটি চালু হয়। এখানে ৪২৫ প্রজাতির মৎস্য সংরক্ষিত আছে। এর মধ্যে ২২৫ প্রজাতির সামুদ্রিক ও ২০০ প্রজাতির স্বাদুপানির মাছের নমুনা রয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসব নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। জাদুঘরে আরও রয়েছে ৩০ প্রজাতির শামুক-ঝিনুক ও প্রবাল।

বিদেশে প্রশিক্ষণের সুযোগ

দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিদেশেও প্রশিক্ষণের সুযোগ পান। শুরু থেকেই অবশ্য শিক্ষার্থীরা এ সুযোগ পেতেন। তবে দিন দিন প্রশিক্ষণের সুযোগ আরও প্রসারিত হয়েছে। প্রথম দিকে ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের শিক্ষার্থীরা ভারতের মাদ্রাজে হাতে-কলমে পাঠ নিতেন। কিন্তু এখন ফুড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদ ও মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীরাও মালয়েশিয়ায় ইন্টার্নশিপ করেন। এসব অনুষদের স্নাতকোত্তরের সব শিক্ষার্থীই মূলত ইন্টার্নশিপের জন্য দেশের বাইরে যাচ্ছেন।

এ ছাড়া ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের বাছাই করা শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্র, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের যাচ্ছেন।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গৌতম বুদ্ধ দাশ বলেন, করোনার ধকল শেষে আবার ক্যাম্পাস সচল হয়েছে। আসলে শিক্ষার্থীরাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ। তাঁদের যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কাজ করে যাচ্ছে।

গবেষণায় সাফল্য

গবেষণা নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম রয়েছে দেশজুড়ে। শিক্ষকেরা ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের পূর্ণাঙ্গ জীবন রহস্য উন্মোচন করেছেন। ডিএনএ বারকোডিং প্রযুক্তির মাধ্যমে এডিস মশা শনাক্তকরণ, ছাদে রঙিন মাছ চাষের মডেল তৈরি, মুরগির উন্নত জাত উদ্ভাবন, গবাদিপশুর পুষ্টির চাহিদা পূরণে সক্ষম ক্যাটল বিস্কুট আবিষ্কার, মুরগির রক্ত আমাশয় নিয়ন্ত্রণ, গরু–ছাগলের মরণব্যাধি প্রতিরোধ পদ্ধতিসহ আরও বেশ কিছু গবেষণা মানুষের উপকারে এসেছে। এসব গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক নানা নামকরা প্রকাশনা সংস্থায়।

করোনাকালেও এ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা পিছিয়ে ছিলেন না। চট্টগ্রাম অঞ্চলের করোনাভাইরাসের ৩০০টি স্পাইক প্রোটিনের জিন সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ করেন শিক্ষকেরা। পাশাপাশি এক ডোজ টিকা নেওয়ার পর করোনায় আক্রান্ত ২০০ জনের ওপর গবেষণা প্রকল্প চালানো হয়। এতে দেখা যায়, টিকা নেওয়ার পর আক্রান্ত হলেও ঝুঁকি কম থাকে।

অন্যদিকে চট্টগ্রামে ৯৩ শতাংশ করোনা রোগী ভারতে পাওয়া ডেলটা ধরনে আক্রান্ত হওয়ার খবর দেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। ৩০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে গবেষকেরা ডেলটা ধরন খুঁজে পান। আবার ১০টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স করে গবেষকেরা জানান, চট্টগ্রামের কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে ব্রিটিশ ও আফ্রিকান ভেরিয়েন্টের আধিক্য বেশি। করোনাকালে এসব গবেষণা আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ ও এক্সটেনশন সেল জানায়, গত দুই অর্থবছরে ৬৭টি গবেষণা প্রকল্প শেষ করেছেন শিক্ষকেরা। বর্তমানে ৫১টি প্রকল্পের কাজ চলমান। ইউজিসি গবেষণায় বরাদ্দ দেয় দেড় কোটি টাকা।

সেলের পরিচালক অধ্যাপক মো. আশরাফ আলী বিশ্বাস বলেন, দেশের মানুষের কাজে লাগবে—এমন গবেষণা কার্যক্রম চালানোর জন্য গবেষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষণা নিয়মিত খ্যাতনামা জার্নালে প্রকাশিত হচ্ছে। এসব গবেষণার ফলাফল মানুষের কাজে লাগছে। আর শিক্ষকদের উৎসাহ দিতে গত বছর থেকে চালু হয়েছে শ্রেষ্ঠ গবেষক পুরস্কার। গবেষণার গুরুত্ব বোঝা যায় প্রতিষ্ঠানটির নানা কর্মকাণ্ডে। কাপ্তাই হ্রদে শিক্ষক-গবেষকদের জন্য তৈরি করা হয়েছে ভ্রাম্যমাণ তরি। হ্রদের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে এ তরির সাহায্যে গবেষকেরা বিভিন্ন উপাদান সংগ্রহ করেন। ২০১৯ সালের ২৮ নভেম্বর ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ গবেষণা তরির উদ্বোধন করা হয়।

অন্যদিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে স্থাপন করা হয়েছে ‘রিসার্চ অ্যান্ড ফার্ম’–নির্ভর আরেকটি ক্যাম্পাস। এখানে ডেইরি ফার্ম, পোলট্রি ফার্ম, হ্যাচারিসহ বিভিন্ন প্রকল্প রয়েছে। এসব প্রকল্পের অধীনে শিক্ষকেরা গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

কক্সবাজারে গবেষণাগার তৈরি হচ্ছে: উপাচার্য

গবেষণায় আপনাদের সুনাম আছে। এই সুনাম ধরে রাখতে আর কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে?

গৌতম বুদ্ধ দাশ: ঢাকার পূর্বাচলে আমরা টিচিং অ্যান্ড ট্রেনিং পেট হাসপাতাল ও রিসার্চ সেন্টার স্থাপন করেছি। সেখানেই একটি দশতলা গবেষণাগার নির্মাণের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এখানে দেশ–বিদেশের শিক্ষার্থীরা পাঠ নিতে পারবেন। গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া কক্সবাজারে আমরা আরও একটি গবেষণাগার তৈরি করছি, সেখানে হ্যাচারি করা হয়েছে। মোদ্দা কথা শিক্ষার্থীদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

মানসম্মত গবেষণা কতখানি হচ্ছে বলে আপনি মনে করেন? গবেষণার ফলাফল মানুষের কাজে লাগছে কি?

গৌতম বুদ্ধ দাশ: মানসম্মত গবেষণা যত বেশি হবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মান তত বাড়বে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হচ্ছে নেচার, এলসেভিয়ারসহ নাম করা সব জার্নালে। এসব গবেষণার ফলাফল মানুষের কাজে লাগছে। নীতিনির্ধারকেরা সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা পাচ্ছেন। করোনার জিনোম সিকোয়েন্সিং, স্পাইক প্রোটিন বিশ্লেষণ, দুই ডোজ টিকা নেওয়ার অ্যান্টিবডি কেমন হয়—এসব নিয়ে ভালো গবেষণা হয়েছে। এ ছাড়া করোনার নমুনা পরীক্ষার জন্য শুরু থেকেই কাজ করেছে এ বিশ্ববিদ্যালয়। করোনা শুরুতে সবাই ছিল ঘরবন্দী। কিন্তু আমরা এগিয়ে এসেছি। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে কোনো আরটিপিসিআর যন্ত্র ছিল না। আমরা তাদের এ যন্ত্র দিয়েছি।

ক্যাম্পাসে আবার ক্লাস শুরু হয়েছে। করোনার পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের জন্য কী পরামর্শ দেবেন?

গৌতম বুদ্ধ দাশ: ক্যাম্পাসের একটা পরিবর্তন হয়েছে। আমরা শ্রেণিকক্ষ থেকে হল—সব জায়গায় স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করেছি। হাত ধোয়ার জন্য বেসিন বসানো হয়েছে। ৯৮ শতাংশ শিক্ষার্থী দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন। ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জন্য আইসোলেশন সেন্টার খোলা হয়েছে। কেউ সামান্য অসুস্থ হলে আমাদের জানাবেন। সেন্টারে চিকিৎসকের মাধ্যমে তাঁকে সেবা দেওয়া হবে।