Students

  Teachers

  Staffs

 

সিভাসু’র ২য় কোভিড-১৯ ল্যাব উদ্বোধনকালে মাননীয় শিক্ষা উপমন্ত্রী





চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) উদ্যোগে আরও একটি করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। আজ ৩১ অক্টোবর (শনিবার) দুপুরে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, এমপি সিভাসু’র হাটহাজারীস্থ রিসার্চ এন্ড ফার্ম বেইজড ক্যাম্পাসে স্থাপিত এই ল্যাব (২য় কোভিড-১৯ ল্যাব) উদ্বোধন করেন।
সিভাসু’র উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ-এর চেয়ারম্যান এম এ সালাম। এই সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিভাসু’র ফিশারিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম নূরুল আবছার খান, ওয়ান হেল্থ ইসস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ড. শারমীন চৌধুরী, রেজিস্ট্রার মীর্জা ফারুক ইমাম, আইকিউএসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. কবিরুল ইসলাম খান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মো: মনিরুল ইসলাম, অফিসার সমিতির সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) আবু মোহাম্মদ আরিফ, হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মাসুদ এবং হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: এ এস এম ইমতিয়াজ হোসেন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে অবস্থিত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি) কর্তৃক সংগৃহীত নমুনা এবং বৃহত্তর উত্তর চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে পাঠানো নমুনাসমূহ সিভাসু’র এ ল্যাবে পরীক্ষা করা হবে ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, হাটহাজারীতে সিভাসু কর্তৃক এই কোভিড-১৯ ল্যাব স্থাপনের ফলে বৃহত্তর উত্তর চট্টগ্রামের মানুষ বিশেষভাবে উপকৃত হবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা গবেষণার জন্য যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন-তা বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনো দেওয়া হয়নি। এই বরাদ্দের ফলে বিশ^বিদ্যালয়গুলো যেসব উন্নতমানের ল্যাব স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে-সেই ল্যাবগুলো এই করোনা মহামারী কালে সাধারণ মানুষের উপকারে আসছে।
তিনি আরও বলেন, করোনা মহামারী কালে সিভাসু’র কোভিড-১৯ ল্যাবের সুবিধা শুধু চট্টগ্রামে সীমাবদ্ধ থাকেনি। এই সেবা কার্যক্রম জামালপুর ও চাঁদপুর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এটা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়।
তরুণদের উদ্দেশ্যে উপমন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষণ গ্রহণ ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে নিজের কর্মসংস্থান নিজেকেই সৃষ্টি করতে হবে। সরকার এর জন্য সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করে দিচ্ছে। এই সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে। উপমন্ত্রী সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কর্মমুখী এবং ব্যবহারিক শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করেন।